Pages

পুরুষাঙ্গের প্রকারভেদ


পুরুষাঙ্গের প্রকারভেদ

যৌনবিদগণ পুরুষাঙ্গের শ্রেণীবিন্যাস করতে গিয়ে বলেন-পুরুষের পুরুষাঙ্গ সাধারণত তিনভাগে বিভক্ত। যথাঃ ১। শশকীয় পুরুষাঙ্গ। ২। বৃষকীয় পুরুষাঙ্গ । ৩। অশ্বকীয় পুরুষাঙ্গ । নিম্মে প্রত্যেকটির পরিচয় দেয়া হল- শশকীয় পুরুষাঙ্গের পরিচয় শশকীয় পুরুষাঙ্গ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বচন হবে, মিষ্ট। মন সদা প্রফুল্ল, তারা দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট। তাদের মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের । তাদের হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তাদের আত্মসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এসব লোকদের পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভি গন্ধ বের হয়। তারা খুব হালকা ভাবে ভেরায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে জাগে। বৃষকীয় পুরুষাঙ্গের পরিচয় বৃষকীয় পুরুষাঙ্গের অধিকারী ব্যক্তিরাও কিছু পরিমাণে মিষ্টভাষী হয়ে থাকে। তাদের ঘাড়-গর্দান বলিষ্ঠ, কর্কশ কন্ঠস্বর , রক্তবর্ণ হস্তপদ এবং গতি চমৎকার। তাদের ভ্রু খাড়া এবং পেট কচ্ছপাকারে গোলাকার। তাদের বীর্য এবং দেহ থেকে লবণাক্ত আস্বাদ বের হয়। তাদের গতি মাঝারি রকমের কিন্তু স্বভাব হয়ে থাকে তিক্ত। তাদের পুরুষাঙ্গ সাধারণত নয় আঙ্গুল পরিমাণ দীর্ঘ হয়ে থাকে। অশ্বকীয় পুরুষাঙ্গের পরিচয় এমন লোকেরা সাধারণত বাচাল , মুখ হয় লম্বা। লম্বা ও সরু কান, মাথা ও অধর সরু হয়ে থাকে। তাদের কেশ ঘণ ও সন্নিবিষ্ট ও বক্র। তাদের হাত পা বেশ লম্বা এবং দৃঢ়। তাদের আঙ্গুল বেশ লম্বা এবং নখের আঙ্গুলের চেহারা সুগঠিত। তাদের আওয়াজ বা স্বর মেঘ গর্জনবিশেষ। চলাফেরার ক্ষেত্রে তারা খুব দ্রুত পা ফেলে হাটে। তাদের বীর্য থেকে মদের গন্ধ বের হয়। এসব লোকদের পুরুষাঙ্গ প্রায় বারো আঙ্গুল পরিমাণ লম্বা হয়ে থাকে।

অন্ডকোষ সম্পর্কে কিছু ধারণা


অন্ডকোষ সম্পর্কে কিছু ধারণা

অণ্ডকোষের অবস্থান পুরুষাঙ্গের নিচে। যা দৈর্ঘ্য দেড় ইঞ্চি, প্রস্থে সোয়া ইঞ্চি, ওজন আধা ছটাক ডিম্বাকৃতির দুটি কোষ। যার মধ্যে বীর্য প্রস্তুত হয়। এটি একেবারে সূক্ষ সূক্ষ শিরা বা ধমনি দ্বারা আবৃত। কোষাকৃতি নল বিশিষ্ট। দৈর্ঘ্য শরীরের ভিতর দিকে তিন বিঘত। এ রগগুলোক্ব পৃথক পৃথক ভাবে পরস্পর গিঁট দেয়া হয়, তবে দৈর্ঘ্য দুই মেইল পর্যন্ত বিস্তৃত হএ। শরীরের প্রস্তুতকৃত বীর্য ঐ শিরাগুলি দ্বারা অণ্ডকোষে এসে জমা হয়। অণ্ডকোষ প্রত্যেক ও প্রাণীরই রয়েছে। এটাকে গুদাম ঘর বিশেষও বলা যেতে পারে। মানুষের অণ্ডকোষের গোশত সাদা এবং সবচেয়ে নাযুক স্থান। সামান্য ব্যাথাও অসহ্য মনে হয়। এর ভিতরের গোশত সাদা, এজন্য বীর্যের রঙ সাদা। যেমন নারীদের স্তনের ভিতর গোশত সাদা হওয়ার কারণে দুধের রঙও সাদা।

পুরুষাঙ্গ বিষয়ে কিছু কথা


পুরুষাঙ্গ বিষয়ে কিছু কথা

মানুষের শরীরে যতগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে, তন্মধ্যে এটিও একটি অঙ্গ। পুরুষেরা প্রাপ্তবয়সে পৌঁছার পর তাদের পুরুষাঙ্গে এক প্রকার শক্তি আসে। যার কারণে বিশেষ মুহূর্তে তা শক্ত ও মজবুত হয়। যখন শক্ত ও মজবুত হয়, তখন তা পূর্বের তুলনায় অনেকটা দীর্ঘ হয়ে যায়। সহবাসের সময় পুরুষাঙ্গ দীর্ঘ হওয়ার ফায়েদা হল, এর দ্বারা পুরুষের বীর্য নারীর রেহেমের ভিতরে চলে যায় এবং সে বীর্যেই সন্তান জম্ম হয়ে থাকে। পুরুষদের এই বিশেষ অঙ্গে কোনো প্রকার হাড্ডি নেই। কিন্তু যখন শক্ত ও মজবুত হয়, তখন হাড্ডির মতো শক্ত হয়ে যায়। এটা শুধুমাত্র গোশত ও রগ-শিরা দ্বারা প্রস্তুতকৃত। এ অঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট হল, এর দ্বারা যৌনসম্ভোগের কাজ সমাধা করা যায়। অর্থাৎ বীর্য ভাণ্ডারের স্থান পরিবর্তনের কাজটি স্বাদ ও প্রফুল্লতার সাথে সাথে সম্পাদন করে থাকে। জ্ঞাতব্য বিষয় হলঃ পুরুষাঙ্গের প্রসারতার শক্তি অন্তর থেকে হয়ে থাকে। আর তাঁর উপলদ্ধি হয় ধমনির দ্বারা। তাঁর খাবার যোগান দেয় কলিজা। কলিজা ও মস্তিক থেকে পরস্পর মিলনের ইচ্ছে শক্তি জাগে। বেশিরভাগ সময় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যতা পাশাপাশি ছয়টি আঙ্গুল মিলালে যে পরিমাণ দৈর্ঘ্য হয়, সে পরিমাণ লম্বা বা দীর্ঘ হয়ে থাকে। নারীদের গুপ্তাঙ্গের দৈর্ঘ্যতাও ঐ পরিমাণই হয়ে থাকে। যদি কারো পুরুষাঙ্গ লম্বায় ঐ পরিমাণ না হয়, যার কারণে সহবাসের সময় তাঁর লিঙ্গ বাচ্ছাদানি পর্যন্ত পৌঁছে না এবং সহবাসে স্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তিও পায় না, তাহলে তাকে সহবাসের সময় ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। আর সেটি, তাকে তাঁর যৌনাঙ্গ বৃদ্ধির ওষুধ ব্যবহার করতে হবে, নতুবা সহবাসের সময় স্ত্রীর নিতম্বের নিচে বালিশ বা বালিশের মতো উঁচু জিনিস রেখে সহবাস করতে হবে। এতে স্ত্রী পরিপূর্ণ তৃপ্তি অনুভব করতে পারবে। এর দ্বারা কারো মনে কোনো প্রকার কষ্ট থাকবে না। যৌনাঙ্গের উত্তেজনা উপলদ্ধি অনেক ভাবেই হতে পারে পুরুষাঙ্গের লাল বর্ণের শিরা, কালো বর্ণের শিরাগুলো উত্তেজনায় ছটফট করতে থাকে। পুরুষাঙ্গের প্রসারতা, শক্তি ও অনুভূতি শিরা ও ধমনী বেশি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। পুরুষাঙ্গে প্রথম অংশ তথা মাথা দেখতে খোসাবিহীন সুপারির মতো গোলাকার। সেজন্য তাকে সুপারীও বলা হয়ে থাকে। পুরুষদের শারীরিক গঠন বৃদ্ধি পাওয়ার সময় পর্যন্ত পুরুষাঙ্গ লম্বা ও মোটা হয়ে থাকে। আর তা হলে ত্রিশ থেকে পয়ত্রিশ বছর পর্যন্ত। এর পর মানুষদের যদিও গঠন বৃদ্ধি পায় কিন্তু পুরুষাঙ্গ বৃদ্ধি পায় না। তবে মোটা ও গোল হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। আর এর জন্য বিভিন্ন ফর্মুলা রয়েছে। পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যতা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ ১। ছয় থেকে সাত আঙ্গুল পরিমাণ। ২। নয় আঙ্গুল পরিমাণ। ৩। বারো আঙুল পরিমাণ। সাধারণত লোকদের ছয় থেকে সাত আঙ্গুল পুরুষাঙ্গ দীর্ঘ হয়ে থাকে। হ্যাণ্ডস্যাম ও মজবুত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকের নয় আঙ্গুল পরিমাণ পুরুষাঙ্গ দীর্ঘ হয়। শক্তিশালী ও লম্বা লোকদের পুরুষাঙ্গ বারো আঙ্গুল পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। তবে এ ধরণের লোক সংখ্যায় একেবারেই কম। যাদের পুরুষাঙ্গ বার আঙ্গুল পরিমাণ লম্বা এসব পুরুষাঙ্গ ভালো নয়। সাধারণত এসব পুরুষাঙ্গে শক্তি কম থাকে। বিশেষ সময়ে তেমন একটা মজবুত এ শক্ত হয় না। এদের সাথে যেসব নারীর সহবাস হবে, দীর্ঘতাঁর দিক দিয়ে তাদেরও যথেষ্ট লম্বা হতে হবে। অন্যথায় নারীরা তাকে সহ্য করতে পারবে না। স্বামী যেমন স্ত্রীও তেমন হতে হবে। এমন যদি হয় যে, স্ত্রী বেশ লম্বা কিন্তু স্বামী একেবারে বেটে, তাহলেও বেমানান। আবার যদি এমন হয় যে, স্বামী অনেক লম্বা কিন্তু স্ত্রী স্বামীর কোমর বরাবর লম্বা, তাহলেও বেমানান । এদের মধ্যে কেউ সহবাসে পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি লাভ করতে পারবে না। এজন্য বিবাহের সময় স্বামী-স্ত্রীর উচ্চতা খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের দেশের পুরুষদের পুরুষাঙ্গ সাধারণত ছয় থেকে সাত আঙ্গুল পরিমাণ লম্বা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের মেয়েদের যৌন তৃপ্তি দেয়ার জন্য ছয় থেকে সাত আঙ্গুল পরিমাণ পুরুষাঙ্গ হলেই যথেষ্ট। এসব ক্ষেত্রে পুরুষ নারীর মিল না হলে, কেউ পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি পায় না। বিশেষ করে নারীরা যদি স্বামী থেকে পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি না পায়, তাহলে তাকে যত কিছুই দেওয়া হোক না কেন, তাঁর সব চাহিদা [এটা ছাড়া] পূরণ করা হোক না কেন, পৃথিবীর রাজত্ব তাঁর হতে দিলেও সে সন্তুষ্ট হবে না। দুনিয়ায় সব কিছু দিলেও সে মন থেকে নিবে না। দুনিয়া সব কিছু, প্রয়োজনের অধিক টাকা পয়সা দিলেও আসল জিনিসটা মন মতো দিতে পারা গেল না, তাহলে মনে রাখতে হবে [স্ত্রীর মনে হবে] তাকে কিছুই দেওয়া হয় নি। আল্লাহ তাআলা পুরুষের এ বিশেষ অঙ্গটি যে কাজের জন্য বানিয়েছেন, এর দ্বারা যদি সে কাজটি পূর্ণাঙ্গ ভাবে না হয়, তাহলে পুরুষের পুরুষত্ব কোথায়? অতএব এ বিষয়ে যতেষ্ট যত্মবান হতে হবে। দুনিয়ার জীবনে স্বর্গীয় সুখ অনূভব করতে চাইলে এ বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান এবং পূর্ণাঙ্গ আনন্দ ও তৃপ্তি পাওয়ার জন্য সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

লিঙ্গের কাজ কি?


লিঙ্গের কাজ কি?

সৃষ্টি জগতে মানব জাতি তথা পুরুষ ও স্ত্রীলোক সঙ্গম করে থাকে এবং তাঁর ফলেই সন্তান লাভ হয়। মানব দেহের ভিতরে যে অসার জলীয় পদার্থ আছে, তা এই লিঙ্গের মাধ্যমে মূত্রের আকারে বের হয়ে যায়। সুতরাং এই অঙ্গ সক্রিয় না থাকলে মানুষের পক্ষে দেহ ধারণ করা এক রকম অসম্ভব হয়ে পড়বে বা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। মানুষের দেহে সঙ্গম ক্ষমতা বিশিষ্ট অঙ্গ আর নেই। এর গঠন প্রণালী অন্যান্য অঙ্গগুলো হতে আলাদা প্রকৃতির। পুরুষের মনে রতি বাসনার উদ্রেক হলেই তা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর উত্তেজনা দমবে না এবং লিঙ্গও নিস্তেজ হবে না। আসলে রতিক্রিয়া শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গেই আপনা আপনি নিস্তেজ হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যায়। সুতরাং শরীরের ভিতরে যেমন এই অঙ্গটা একটা বিশেষ ক্ষমতা দখল করে রয়েছে, তেমনি শরীরের সর্ব প্রকারের যৌন সুখানুভূতির প্রাণকেন্দ্রও হচ্ছে এই অঙ্গটা । সঙ্গমকালে পুরুষ ও স্ত্রীকে চরম ও পরম আনন্দ সুখ দান করে তাঁর এই অঙ্গ বা লিঙ্গটা। অতএব, চিন্তা করলে অবাক লাগে যে, কিভাবে একই নালি পথে শুক্র ও মূত্র বের হয়ে থাকে। এটা মানুষের চিন্তার বাহিরে। এটাই হচ্ছে সৃষ্টির স্রস্টার কুদরতের নিদর্শন । পুরুষ বা স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়ে মূত্রের বেগ থাকলেও তখন মূত্র বের হয় না। আবার শুক্র বের হওয়ার সময়ও মুত্র বের হতে দেখা যায় না বা বের হয় না।

লিঙ্গের গঠন প্রণালী


লিঙ্গের গঠন প্রণালী

মানুষের লিঙ্গ কতিপয় শিরা, উপশিরা, তন্তু ও স্নায়ুর সাহায্যে গঠিত হয়েছে। এর ভিতরে কোন অস্থি বা পেশি নেই। কিছুটা স্পঞ্জের মত। এটা কখনো নিস্তেজ হয়ে ছোট হয়ে যায়, আবার উত্তেজনার সময়ে বেড়ে যায়। লিঙ্গ গঠনের ভিতরে একটু চিন্তা করলে অনুভব করা যাবে যে, স্রষ্টার কুদরতের মহিমা কত বড়। তাঁর কুদরতের কোন সীমা নাই। লিঙ্গের অভ্যন্তরে কতগুলো ছিদ্র ছিদ্র আছে। কামোত্তেজনার সময় ওই ছিদ্রগুলো রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। যার ফলে লিঙ্গ সতেজ ও শক্ত হয়ে থাকে। কামোত্তেজনার পরে কিন্তু এ জমা রক্ত ছিদ্রগুলো হতে বের হয়ে যায়। তখন লিঙ্গ আস্তে আস্তে শিথিল হয়ে যায়। কামোত্তেজনা ব্যতীতও লিঙ্গ প্রসারিত হয়। যেমন পেশাবের বেগ হলে লিঙ্গ প্রসারিত হয়ে থাকে। আমরা স্বাভাবিকভাবে লিঙ্গকে লম্বায় যতখানি দেখি, আসলে তা তাঁর লম্বায় মাপ নয়। আমাদের দৃষ্টির বাইরে ও ভিতরের দিকে তাঁর কতক অংশ আছে। যেমন উত্তেজনার সময় বস্তী প্রদেশে হাত দেখলেই বুঝা যাবে যে, লিঙ্গের মত শক্ত ও মোটা কিছু অংশ ভিতর দিকেও আছে।

যৌনাঙ্গাদির সংস্থান ও ক্রিয়া


যৌনাঙ্গাদির সংস্থান ও ক্রিয়া

অতঃপর স্থুল যৌন অঙ্গ সমূহের কিছু পরিচয় দেওয়া দরকার। এই পরিচয় খানিকটা দিয়ে না রাখলে কোন কথাই গুছিয়ে বলার বা বোঝার সুবিধা হবে না। যদিও নিজের নিজের গোপনাঙ্গের কথা সবারই জানা তবুও সবাই হয়ত সব কিছু স্পষ্টভাবে জানে না। নিজের চোখে দেখা আর বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে জানা—এই দুয়ের মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। পুরুষ ও নারী__ উভয়ের যৌনাঙ্গ সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান থাকা উচিত। তাতে দু’তরফ থেকেই অনেক অসুবিধা দূর হয়। প্রথমে খুব সংক্ষেপে পুরুষের যৌনাঙ্গ সম্পর্কে বলা যাক। পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ তার শরীরের বাইরে বেরিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গকেই বোঝায়। সংস্কৃত ভাষায় এর সুললিত সুন্দর নামও আছে অনেক, আবার বাংলা চলতি নামও আছে। সংস্কৃত নামের মধ্যে দুটি বহুল প্রচলিত নাম হলো, শিশ্ন, সাধনদন্ড। কিন্তু এর মধ্যে কোনটিরই তেমন প্রচলন না থাকায় আমরা একে ঐসব নামে উল্লেখ না করে শুধু পুরুষাঙ্গ বা লিঙ্গ বলব। এই এক লিঙ্গের দ্বারা আমাদের দুই কাঝয়। এ হলো একাধারে মূত্র ও শুক্রত্যাগের যন্ত্র। এমনই এক অদ্ভুত ব্যবস্থায় প্রকৃতির যথেষ্টই যে মৌলিকতা প্রকাশ পেয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে আসে শরীরের যত বর্জ্য ক্লেদ পদার্থ, আর শুক্রের সঙ্গে নির্গত হয় নশ্বর দেহ থেকে তৈরি এক অবিনশ্বর বীজ পদার্থ, যা মানুষকে দেয় সৃষ্টির আনন্দ , প্রমাণ করে জীবনের অমরত্ব। প্রকৃতিক বিধানে পুরুষের জন্য- নিকৃষ্ট এবং উৎকৃষ্টের একটাই নির্গমন পথ। পুরুষ-লিঙ্গ লম্বাটে মাংসস্তস্তের মতো একরূপ নরম পদার্থ, উপরে পাতলা চামড়ার আবরণ দিয়ে ঢাকা। সাধারণত বিশ্রামের অবস্থায় এটি প্রায় তিন চার ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা থাকে, কিংবা তার চেয়ে কম থাকে। কিন্তু উত্তেজিত হলে তখন আকারে বেড়ে গিয়ে ছয় –সাত ইঞ্চি পরিমাণেও লম্বা হয়ে দাঁড়ায়। তখন এর পরিধিও শান্ত অবস্থায় চেয়ে খানিকটা বেড়ে আরও মোটা হয়ে যায়। শান্ত অবস্থায় দেখলে মনে হবে এটি বুঝি খুবই নরম মাংসের তৈরি, আর উত্তেজিত কঠিন অবস্থায় দেখলে মনে হবে যে এর ভিতরে শক্ত হাড় আছে। কিন্তু বাস্তবিক এর মধ্যে হাড়ও নেই কিংবা মাংসও নেই। আসলে এটি আগাগোড়া স্পঞ্জের মতো জালিযুক্ত একরূপ পদার্থ দিয়ে গড়া। সেই স্পঞ্জ-পদার্থের জালির গায়ে গায়ে অসংখ্য এলোমেলো রক্তশিরা আছে। সেখানে রক্ত এসে জমে। ঐ রক্তশিরার মধ্যে ছিপির মতো একরকম কোষ। প্রয়োজন হলে সেগুলি ফুলে উঠলেই সেখানে রক্ত জমে আর তা সরে যেতে পারে না। সহজ অবস্থায় রক্তের চলাচল তার মধ্যে খুবই কম থাকে, সেইজন্য লিঙ্গটি তখন চুপসে এবং কুঁকড়ে নরম হয়ে থাকে। কিন্তু উত্তেজনা ঘটলেই তখন ওর সমস্ত শিরাগুলি এবং স্পঞ্জের পৃঃ ০১ লিঙ্গের গঠন তন্ত্রে রয়েছে স্পঞ্জের মতো সংবেদনশীল পেশী এবং স্নায়ু। সাধারণ অবস্থায় এই স্নায়ু এবং কোষগুলির (Tissues) মধ্যে রক্তের চাপ না থাকায় কোষগুলি সঙ্কুচিত এবং শান্ত অবস্থায় থাকে। যৌনোত্তেজনা হলে এই শূন্য কোষগুলির মধ্যে রক্ত এসে জমা হয় এবং চাপ সৃষ্টি করে। এই রক্তের প্রবাহ লিঙ্গের কোষ থেকে স্রে গেলে লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। ভিতরকার জালি গুলি রক্তে ভরাট হয়ে টইটম্বুর হয়ে উঠে। তারই ফলে লিঙ্গটি তখন কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। স্পঞ্জের মতো কোন চোপসানো জিনিসের মধ্যে অনেকখানি রক্ত ভরে দিলে তখন সেটা যথাসাধ্য ফুলে উঠবেই। মনে করো সাইকেলের চাকার রবার টিউবের মধ্যে যদি হাওয়ার বদলে পাম্প করে অনেকখানি জল ভরে দেওয়া যায়, তাহলে সেটা তৎক্ষণাৎ ফুলে টাইট হয়ে যাবে। আবার জলটা বের করে দিলেই সেটা চুপসে গুটিয়ে নরম হয়ে যাবে। পুরুষ-লিঙ্গের মধ্যে জলের বদলে রক্তের দ্বারা এই কাজটাই হয়ে থাকে। এটি বিশেষ প্রয়োজন , কারণ এমনি শক্ত হয়ে না উঠলে ঐ অঙ্গটি স্ত্রী যোনির মধ্যে সহজে ঢুকতেও পারে না, আর সবেগে শুক্রও নিঃসরণ করতে পারে না। শুক্র বের করে দেবার পরেই এর কাজ ফুরিয়ে যায়। তখন উত্তেজনাও কমে যায়, আর ছিপির মতো কোষগুলি পৃঃ ০২ সঙ্কুচিত হয়ে যাওয়াতে জমানো রক্তের স্রোতও সেখানে থেকে সরে যায়। উত্তেজনাটা প্রথমে জাগে মনে। আর মনই স্নায়ুর দ্বারা সাড়া পাঠিয়ে লিঙ্গকে এমনিভাবে উত্তেজিত ও কঠিন করে। লিঙ্গের গোড়াটা থাকে তলপেটের নিচকার হাড়ের কাছাকাছি। লিঙ্গের নিচেই রয়েছে অন্ডকোষ। লিঙ্গের সুমুখদিকের লাল মসৃণ অংশটি হলো ওর মুন্ডু। এই মুন্ডুটি যৌন সুখানুভূতির চরম স্থান। যোনির ভিতরে প্রবেশের পর ঘর্ষণের দ্বারা এটি আরো উত্তেজিত হলে তখন আক্ষেপ সহকারে শুক্র নির্গত করে। ওর মুখের কাছে একটি ছিদ্র। ঐ ছিদ্র দিয়েই মূত্র শুক্র নির্গত হয়। মুণ্ডুটি মুখ থেকে পিছনে দিকে একটু মোটা হয়ে উচু কিনারা নিয়ে স্কন্ধদেশে শেষ হয়েছে। তার পিছনেই একটু খাঁজ কাটা খালের মতো লিঙ্গের গলদেশ। মুন্ডুটি যে পাতলা চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে সেই চামড়াটিকে বলে ছত্র। ইচ্ছা করলে এই চামড়াটি ছাড়ানো যায়, রবং কারো কারো পক্ষে এটা আপনা হতে ছাড়ানোই থাকে। মুন্ডুটির পিছনে লিঙ্গের গলদেশে একরকম তৈলাক্ত পদার্থ জম্মায়, তাকে ইংরেজিতে

যোনিমুখ


যোনিমুখ

দ্বিতীয় হলো যোনিমুখ। একে ছিদ্রের বদলে বিধর বলাই উচিৎ। কারণ এর পরিধি প্রায় এক ইঞ্চির কম নয়। সঙ্গমে পুরুষের লিঙ্গ দেউরি পার হয়ে প্রথমে এই বিবরের মুখ দিয়ে ঢুকেই পরে যোনি গুহাতে প্রবেশ করে। আবার সন্তান প্রসবের সময় এই বিবরের মুখ দিয়েই জরায়ু থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। বলা বাহুল্য তখন এর মুখটি চাপ পেয়ে অনেক বেশী বিস্তৃত হয়ে যায়। এই যোনি মুখের ফাঁকটি চিৎ হয়ে শুলেও খোলা গর্তের মতো ফাঁক দেখায় না। এটি দেখায় যেন অর্ধেক মুখবোজা এতবড় একটা ফাটলের মতো। এটি দেখায় যেন অর্ধেক মুখবোজা এতবড় একটা ফাটলের মতো। তার কারণ দুই পাশ থেকে ঠেলে আসা মাংসাদির দ্বারা আর ভিতরকার যোনিগাত্রের সামনে ঠেলা চাপের দ্বারা এই গর্তের মুখটি প্রায় সম্পূর্ণ চাপানো মত অবস্থাতেই থাকে। যারা সন্তান প্রসব করেছে তাদের পক্ষে আরও খানিকটা ফাঁক থেকে যায় মাত্র। কিন্তু হাঁটু গেঁড়ে উবুর হয়ে মাথাটা ও বুকটা মাটি সমান নিচু করলে তখন পিছন দিকে থেকে যোনির মধ্যে বায়ু প্রবেশ করে এবং তখন দেখা যায় যে দুই দিকের চাপা আলগা হয়ে ঐ গর্তের মুখটি খুলে অনেকটা ফাকা হয়ে গেছে। নতুবা ডাক্তারী পরীক্ষাদির সময়ও চিৎ করে শুইয়ে মেয়েদের যোনির মধ্যে কিছুটা দেখবার উপায় নেই। স্পেকুলাম নামক বিশেষ যন্ত্রের দ্বারা দুই দিক থেকে লেবিয়ার দরজায় ফাঁক করে ধরলে তখন এর কিছু দেখতে পাওয়া যায়। তবে সঙ্গমের সময় সহজেই পুরুষ লিঙ্গ ওর মধ্যে প্রবশ করে, কেমন করে? সেটাও এখানে বলে রাখা দরকার। দেউড়ির মাংসের অন্তরালে দু, পাশে চারটি করে ছোট গ্ল্যাণ্ড বা গ্রন্থি লুকিয়ে আছে, তার সুক্ষ নল্গুলি যোনি গর্তের মুখের কাছেই এসে উন্নক্ত হয়েছে। মেয়েদের যৌন উত্তেজনা এসে পড়লেই ঐ সকল গ্রন্থি থেকে এরকম পিচ্ছিল লালার মতো রস ঝরতে শুরু হয় এবং সমস্ত যোনির মুখটি সেই রসে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে উঠে। তাছাড়া লেবিয়া দুটিও উত্তেজনায় ফুলে উঠে। ফাঁক হয়ে পড়ে , তখন পিচ্ছিল যৌন মুখ দিয়ে সঙ্গমের জন্য প্রস্তত মাংস দণ্ডবৎ কঠিন পুরুষ লিঙ্গ অনায়াসে ঠেলে প্রবেশ করে। তার অগ্রগতির চাপে যৌনিদ্বারের বোজা দেয়াল তখন অনায়াসে আরও বেশী ফাঁক হয়ে যায়। তবে যদি ঐ পিচ্ছিল রস স্বভাবত পরিমাণে খুব কম হয়, কিংবা কারো পক্ষে যদি সে রস দেখা দিতে খুবই বিলম্ব হয়, তাহলে লিঙ্গ প্রবেশের সময় উভয় পক্ষেরই অল্প বিস্তর বাঁধা অনুভব করায় এবং নরম স্থান গুলি একটু আধুটু ছিঁড়ে যাবারও স্পম্ভাবনা থাকে। এই সকল ক্ষেত্রে কিছু কৃত্রিম পিচ্ছিল কারী জিনিস দিয়ে সঙ্গমের আগে যোনি মুখ বিজিয়ে নরম করে নেওয়া দরকার হয়ে পড়ে। এ অভিজ্ঞতা সম্ভবত অনেকেরই আছে। অর্থাৎ আদৌ যারা আগে কখনও সঙ্গমে নিযুক্ত হয়নি , এমনি ধরনে কুমারীদের যৌনিমুখ বিশেষ একটি পাতলা চামড়া দিয়ে অল্পাংশে কিংবা অধিকাংশে ঢাকা থাকে। এই পদার্থটিকে হাইমেন বলে, আমাদের ভাষাতে বলে সতীচ্ছেদ্র বা কুমারী পর্দা। এ পর্দা যাদের যৌনির গর্ভ মুখের অনেক স্থান জুড়ে আছে, তাদের এটিকে না ছিঁড়ে ফেলা পর্যন্ত লিঙ্গ বা অন্য কোন বস্তুর যৌনির মধ্যে সহজেই ঢুকতে পারে না। তবে প্রথম সঙ্গমের আঘাতে এটি ছিঁড়ে যায়। লোকে তাই মনে করে যে এইটি ছিঁড়ে না থাকলেই বুঝতে হবে যে, যোনি তা,হলে আজও পর্যন্ত একবারও ব্যবহিত হয়নি। সে জন্যই এর নামও দেওয়া হয়েছে সতিচ্ছেদ্র । কিন্তু এরূপ ধারণা থাকা ভুল, সকলের যে এমন ঘটবে তার কোন নিয়ম নেই। অনেকের সতিচ্ছেদ্র অক্ষত থাকা সত্বেও ঢিলা এবং কোন কোন পক্ষে যথেষ্ট ফাঁক থাকার দরুন সেটিকে আদৌ না ছিঁড়ে সঙ্গম করতে পারা অনায়াসে সম্ভব। আবার অনেকের হয়তো আঙ্গুলের আঘাতের দ্বারা বা অন্য সামান্য উপায়ে সতীচ্ছেদ্রটি আপনা থেকেই ছিঁড়ে গেছে অথচ তখন পর্যন্ত তাদের প্রকৃত পক্ষে সংসর্গ একবার ও ঘটেনি।সুতরাং ওর ছেড়া বা না ছেড়ার দ্বারা তথাকথিত কুমারীত্ব সম্বন্ধে নিশ্চত কিছু মীমাংসা হয় না। এই স্ত্রী – যোনি আসলে একটি ফাকা হলেও প্রকৃতি পক্ষে এটি ফাঁক হয়ে খোলা অবস্থায় থাকে না। এর ভিতর অংশের সামনের দেয়ালে এবং পিছনের দেয়াল দুটি দু,দিকে থেকে ঝুকে এলে মলের ভিতরকার ফাঁকটা বুঝিয়েই রেখেছে। যখন ওর মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করবে তখন নলটি ফাঁক হয়ে যাবে, আবার লিঙ্গ বেরিয়ে এলেই অমনি আগের মতো আবার বুঝে যাবে। স্ত্রী যোনির এই সঙ্গম নলটি প্রায় তিন ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা । এটি কিন্তু আগাগোড়া সোজা নল নয়। পরীক্ষা কালেই জানা যাবে এটি উপর দিকে বেকে গেছে এবং সামনের দিকে একটু ঝুকে থেকে কতকটা ধনুকের মতো আকার নিয়েছে। এর ভিতরে পরিধিরও কোনো নির্দিষ্ট মাপ নেই। প্রয়োজন হলে মাংস পেসীর ক্রিয়ার দ্বারা এটি অনেক খানি ফাকা অথবা অনেকটাই সংকুচিত হয়ে থাকতে পারে। দুই রকম মাংস পেশী এর উপর ক্রিয়া করে। সন্মুখের দিক থেকে এরকম, এর উপকার দিক অন্যরকম। সময় – সময় এই দুই রকম মাংস পেশী উত্তেজনায় তাড়াতাড়ি সংকোচন ও প্রসারণ করতে থাকায় যোনি মতো এক রকম ক্রিয়া করতে পারে। সঙ্গমের সময় এই ক্রিয়ার দ্বারা লিঙ্গের উপর মাঝে মাঝে চাপ দিয়ে তাকে আরও উত্তেজিত করিয়ে শুক্রপাত ঘটাবার ফলে খুব সুবিধা